নবীগঞ্জ উপজেলার কালাভরপুর গ্রামে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে প্রতিপক্ষের হামলায় ব্যাপক ভাঙচুর, লুটপাট ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছে। এতে নারী-পুরুষসহ শতাধিক ব্যক্তি আহত হয়েছেন। প্রশাসনের রহস্যজনক নীরবতায় এলাকায় চরম ক্ষোভ বিরাজ করছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ঘোষণা দিয়ে প্রতিপক্ষের বাড়িতে হামলা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের অভিযোগ উঠেছে। সংঘর্ষে দু'পক্ষের বহু মানুষ আহত হন। এ ঘটনায় সেনাবাহিনী ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে, তবে প্রশাসনের নিষ্ক্রিয় ভূমিকা নিয়ে এলাকাবাসীর মাঝে ব্যাপক অসন্তোষ দেখা দিয়েছে।
নবীগঞ্জ উপজেলার ১০নং দেবপাড়া ইউনিয়নের কালাভরপুর গ্রামে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দীর্ঘদিন ধরে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে আসছে। গত শুক্রবার (১৪ মার্চ) রাতে সালামত খাঁনের লোকজন প্রতিপক্ষের বাড়িতে হামলা চালিয়ে ব্যাপক ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করে। হামলায় নারী ও শিশুরাও আক্রান্ত হয়। আলমগীর খাঁনের লোকজন প্রতিরোধ করতে গেলে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ বাঁধে, যার ফলে শতাধিক ব্যক্তি আহত হন।
সংঘর্ষে গুরুতর আহত তিনজনকে সিলেট এম.এ.জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের আইসিইউতে ভর্তি করা হয়েছে। প্রশাসন এখনও কোনো কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করেনি, যা নিয়ে এলাকায় ক্ষোভ বিরাজ করছে। হামলায় বসতবাড়ি লুটপাট ও অগ্নিসংযোগ করা হয়। সালামত খাঁনের বাহিনী আলমগীর খাঁনের বাড়িতে প্রবেশ করে ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ চালায়।
দুই পক্ষের সংঘর্ষে জামাল খান, লিটন মিয়া, খুরশেদ মিয়া, রুমেল মিয়া, রুনা বেগমসহ অনেকেই আহত হন। সেনাবাহিনী ঘটনাস্থল পরিদর্শন করলেও প্রশাসন কার্যকর ব্যবস্থা নেয়নি। পুলিশ হামলা ও পাল্টা হামলার ঘটনায় দায়ের হওয়া একাধিক মামলায় এখন পর্যন্ত কাউকে গ্রেফতার করেনি।
নবীগঞ্জের কালাভরপুর গ্রামে চলমান সহিংসতা ও প্রশাসনের রহস্যজনক ভূমিকা নিয়ে এলাকাবাসীর মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। সেনাবাহিনী পরিদর্শন করলেও স্থায়ী সমাধানের জন্য প্রশাসনিক কঠোর পদক্ষেপের দাবি উঠেছে।
অনলাইন ডেস্ক
Comments: